ঝিনাইগাতীতে শিলাবৃষ্টিতে বোরো ধানের ব্যাপক ক্ষতি

১৩ ১৩, ২০২৬ ১৯:৩৮:১৩

এম. সুরুজ্জামান
শেরপুর প্রতিনিধি

শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে গত কয়েকদিনের অতিবর্ষণ ও শিলাবৃষ্টিতে বোরো ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ৫ এপ্রিল বুধবার দুপুরে হঠাৎ শিলাবৃষ্টিতে এই ক্ষয়ক্ষতি হয়। বুধবার দুপুরে উপজেলার সদর, নলকুড়া ও কাংশা ইউনিয়নে ব্যাপক শিলাবৃষ্টি হয়। এ সময় ছোট ছোট শিলা বৃষ্টির পাশাপাশি বড় আকারের শিলাও পড়ে। প্রায় আধঘন্টা স্থায়ী এ শিলাবৃষ্টিতে এসব ইউনিয়নের প্রায় ২ হাজার হেক্টর জমির উঠতি বোরো ধান ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, এবার বোরো মৌসুমে উপজেলার সদর ইউনিয়নে ২৮’শ৪০হেক্টর, কাংশা ইউনিয়নে ২৬’শ হেক্টর, নলকুড়া ইউনিয়নে ২২’শ৩০হেক্টর জমিতে ধানের আবাদ হয়েছে। তন্মধ্যে শিলাবৃষ্টিতে ২ হাজার হেক্টর জমির বোরো ধানের আংশিক ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া বালিয়া, ধূলি, গজারমারী, কাকিলাকুড়া ও এলংদানি বিলের ২’শ ৫ হেক্টর জমি নিমজ্জিত হয়েছে। উপজেলার শালচূড়া গ্রামের কৃষক আব্দুর রহিম জানান, এবার বোরো মৌসুমে ৫০শতাংশ জমিতে ধান আবাদ করেছেন তিনি। কিন্তু শিলাবৃষ্টিতে ধানের গুছাগুলো মাটিতে লুটে পড়ে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। বাগেরভিটা গ্রামের কৃষক মোজাম্মেল ও খুশু মিয়া বলেন, তাঁদের দেড় একর বোরো খেতে পানি প্রবেশ করেছে। তাঁরা এখন উঠতি বোরো ধান নিয়ে দুঃশ্চিন্তায় আছেন।

ঝিনাইড়গাতী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. কোরবান আলী ক্ষয়ক্ষতির সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, মাঠ পর্যায়ে কি পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে তা তাৎক্ষনিক নিরুপণ করা সম্ভব না হলেও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্নয় করা হচ্ছে।

শেরপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. আশরাফ উদ্দিন বলেন, শিলা বৃষ্টিতে কি পরিমাণ ফসলের ক্ষতি হয়েছে তা মাঠ পর্যায়ে কৃষি কর্মকর্তা নিরুপণের চেষ্টা করছেন।

বিডি টুয়েন্টিফোর লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।