‘রোহিঙ্গাদের ঠেঙ্গাচরে পুনর্বাসন করা হবে’
ওবাইদুল হক চৌধুরী
বিশেষ প্রতিবেদক
বাংলাদেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে অবস্থানকারী বৈধ-অবৈধ রোহিঙ্গা শরণার্থীদের অতি দ্রুত সময়ের মধ্যে নোয়াখালী ঠেঙ্গাচরে পুনর্বাসন করা হবে। যতদিন পাশ্ববর্তী দেশ মিয়ানমারের সাথে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা মাধ্যমে সে দেশে ফেরত পাঠানো হবে না ততদিন রোহিঙ্গারা ঠেঙ্গারচরে অবস্থান করবে।
শনিবার বেলা ১২টায় কুতুপালং শরণার্থী ক্যাম্প পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রেস ব্রিফিংকালে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া এ কথা বলেন। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যে সব রোহিঙ্গারা ভুয়া তথ্য দিয়ে ইতিমধ্যে বাংলাদেশি নাগরিকত্ব সনদ গ্রহন করেছেন তাদের বিরুদ্ধে অতি শীঘ্রই চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সকাল ১১টায় মন্ত্রীর গাড়ি যোগে কুতুপালং শরণার্থী ক্যাম্পে এসে পৌছে তিনি কুতুপালং ক্যাম্পে কর্মরত এনজিও সংস্থা গুলোর সাথে আরআরসি অফিসে আলোচনায় মিলিত হন। পরে মন্ত্রী ক্যাম্পে রোহিঙ্গাদের সেবায় নিয়োজিত কর্মরত এনজিও সংস্থার বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি, স্বাস্থ্য সেবা, প্রাক-প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুল, সেলাই প্রশিক্ষণসহ সকল কর্মকান্ড পরিদর্শন করেন। মন্ত্রী রেজিস্ট্রার ক্যাম্পে অবস্থানকারী শরণার্থীদের সাথে কথা বলে বাস্তব অস্থার খোঁজ নেন।
বেলায় সাড়ে ১২টায় ক্যাম্প ত্যাগ করেন মন্ত্রী। এসময় মন্ত্রীর সাথে ছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রান মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ শাহ কামাল, উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মাঈন উদ্দিন, কুতুপালং শরনার্থী ক্যাম্প ইনচার্জ শামসুদ্দোজা, উখিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ আবুল খায়েরসহ সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কতা-ব্যক্তি, স্থানীয় প্রশাসন, গোয়েন্দা সংস্থার লোকজন।
উল্লেখ্য যে, আশি দশক ও নব্বই দশকে দুই দফায় এদেশে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ঘটে। দু'দেশের কুটনৈতিক প্রচেষ্টায় কিছু সংখ্যক রোহিঙ্গা মিয়ানমারে ফেরত পাঠানো হলেও অধিকাংশ রোহিঙ্গা রয়ে যায় এ দেশে। তৎমধ্যে বর্তমানে উখিয়া-টেকনাফে রেজিষ্ট্রার্ড ৩৭হাজার ছাড়াও নতুন করে অনুপ্রবেশকারী প্রায় ৯০ হাজার এবং ছড়িয়ে ছিঠিয়ে আরো প্রায় ২ লক্ষাধিকক রোহিঙ্গা রয়েছে।
এডিটর ইন চিফঃ আমিরুল ইসলাম
বিডি২৪লাইভ মিডিয়া (প্রাঃ) লিঃ
২৭ সেন্ট্রাল রোড , ধানমন্ডি, ঢাকা - ১২০৫
মোবাইল: ০১৭১৬২০২৪৩৪, ফোনঃ ০২-৯৬৬৯৯৫১
ই-মেইলঃ info@bd24live.com, office.bd24live@gmail.com