গরুর মাংস খেতে নিষেধ করায় ইমাম বহিস্কার

৯ ০৯, ২০২৬ ১৪:২১:২০

নিউজ ডেস্ক: মুসলমানদের গরুর মাংস খেতে নিষেধ করায় ভারতের আজমির শরীফের প্রধান ইমাম সৈয়দ জইনুল আবেদিনকে তার পদ থেকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে। বুধবার তাকে ‘অ-মুসলিম’ আখ্যা দিয়ে প্রধানের পদ থেকে সরিয়ে দেন তাঁর ভাই সৈয়দ আলাউদ্দিন আলিমি।

সৈয়দ আলাউদ্দিন আলিমি জানান, তাঁর সিদ্ধান্তে পরিবার পাশে রয়েছে। তিন তালাক প্রথার অপব্যবহার নিয়েও সরব হয়েছিলেন জইনুল আবেদিন। সে কারণেই তাঁকে আজমির শরীফের সর্বোচ্চ পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে খবর প্রকাশ করেছে কলকাতা টোয়েন্টিফোর।

সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জইনুল আবেদিনের জায়গায় আজমির শরীফের দেওয়ান নিযুক্ত হয়েছেন তাঁর ভাই আলাউদ্দিন। সংবাদমাধ্যমের কাছে তিনি এ দাবি করেছেন। যদিও আজমির শরীফ কমিটির পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোন কিছু জানানো হয়নি।

উল্লেখ্য, আজমির খাজা মৈনুদ্দিন চিশতির ৮০৫তম বার্ষিক উরস চলাকালে জৈনুল আবেদিন বলেছিলেন, সরকারের সব ধরনের পশু হত্যা নিষিদ্ধ করা উচিত। একইসঙ্গে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির স্বার্থে গরুর মাংস বিক্রি নিষিদ্ধ করার পক্ষেও সরব হয়েছিলেন তিনি।

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির স্বার্থে পশু হত্যা থেকে দূরে থাকা ও গরুর মাংস না খাওয়ার জন্য মুসলিমদের পরামর্শ দেন তিনি। একই সাথে গরুকে জাতীয় পশু ঘোষণা করার জন্য মোদি সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। জৈনুল আবেদিন জানান, এরপর থেকে তিনি ও তাঁর পরিবার গরুর মাংস ভক্ষণ করবেন না।

তিনি তিন তালাক প্রথার অপব্যবহার নিয়েও সরব হয়েছিলেন। বলেন, একসঙ্গে ‘তালাক’ তিনবার বলে বিবাহবিচ্ছেদ ধর্মীয়ভাবে বৈধ প্রথা নয়। একটি সুনির্দিষ্ট সময়ের ব্যবধান রেখে তিন তালাক দিতে হয়।

বিডি টুয়েন্টিফোর লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মতামত: